‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ও পুরস্কার’ পাচ্ছেন রুনা লায়লা

প্রথম সকাল ডটকম: উপমহাদেশের একজন বরেণ্য ও কিংবদন্তি নজরুলসংগীতশিল্পী ছিলেন ফিরোজা বেগম। ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পরপারে পাড়ি জমান তিনি।

তবে তার সুরের জাদু আর অনন্য গায়কি প্রতিভা তাকে করেছে অম্লান ও চির ভাস্বর। কাজী নজরুল ইসলামের গানকে ‘নজরুলসংগীত’ হিসেবে পরিচিত করার পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ফিরোজা বেগম।

নজরুলসংগীতকে মানুষের মনের আঙিনায় পৌঁছে দিতে ফিরোজা বেগম আজীবন সাধনা করে গেছেন। ফিরোজা বেগম ও তার সংগীতকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবর্তন করা হয় ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক ও পুরস্কার’।

প্রতিবছর দেশের একজন বরেণ্য ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো সাবিনা ইয়াসমিন ও ২০১৭ সালে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এ পুরস্কার লাভ করেন। এবার এ পুরস্কার পাচ্ছেন নন্দিত কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা।

সাবিনা ইয়াসমিন ও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার পর এ স্বর্ণপদক পাচ্ছেন তিনি। আগামী সোমবার বেলা তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর হাতে সম্মাননা তুলে দেবেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান।

জানা গেছে, সম্মাননা হিসেবে রুনা লায়লা পাবেন দুই ভরি সোনার একটি পদক এবং এক লাখ টাকা। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের বিএ সম্মান পরীক্ষায় এবার সর্বোচ্চ সিজিএ পাওয়া শিক্ষার্থীকে দেওয়া হবে ‘ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই স্বর্ণপদক দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘ফিরোজা বেগমের মতো একজন বরেণ্য সংগীতব্যক্তিত্বের স্মৃতিজড়িত পদকের জন্য আমাকে মনোনীত করা হয়েছে, এর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। ফিরোজা বেগমের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে আমাদের পরিচয় ছিল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে। সেখানে আমাদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। তার গাওয়া অনেক গান আমি শুনেছি।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *