গোপালগঞ্জ-১ আসনে আগামী নির্বাচনে যে কারণে আবারো আওয়ামীলীগের প্রার্থী করা হবে ফারুক খানকে

এম শিমুল খান, (গোপালগঞ্জ): ১৯৯৬ সাল থেকেই গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসন থেকে আওয়ামীলীগের টিকিট বার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন ফারুক খান।

সংসদ সদস্যের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এই জাতীয় নেতা। এর আগে তিনি আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মহাজোট সরকারের আমলে প্রথমে বাণিজ্য মন্ত্রী ও পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন ফারুক খান।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় না থাকলেও দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে ফারুক খানকে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এরপর ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয় ফারুক খানকে।

মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় গুলোর দিকে সর্বদা নজর রাখেন। তার দ্বারা ওই অঞ্চলে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্বল হয়েছে। তিনি প্রতিশ্রুতি পূরণে সফল। তার সবচেয়ে বড় অর্জন তিনি তার নির্বাচনী এলাকার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ পাকা সড়ক পথ নির্মাণ করেছেন।

অসংখ্য বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করেছেন। মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্রীজের কাজ সম্পন্ন করিয়েছেন। ব্রীজ নির্মাণ করে এমপি তাঁর দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন। এলাকার উন্নয়নে এমপির সফলতার কারণে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ তার ওপর অনেক খুশি। তার নির্বাচনী এলাকায় কাজ হচ্ছে অনেক স্বচ্ছতার সঙ্গে।

সিডিউল অনুয়ায়ী সড়কের কাজ হচ্ছে। উপজেলায় বিভিন্ন সময়ে বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিখা ও কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম ও লুটপাট নেই বললেই চলে। অনেক এমপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি রয়েছেন এর থেকে মুক্ত। কাশিয়ানী মুকসুদপুরের উন্নয়নের অগ্রসৈনিক লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি।

তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে গোপালগঞ্জ-১ আসন তথা মুকসুদপুর-কাশিয়ানীতে। জননেতা ফারুক খান তার ঢাকা-মাওয়া-খুলনা রাস্তার মুকসুদপুর কাশিয়ানীর অংশসহ প্রতিটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করেছেন। মুকসুদপুর কলেজ সরকারী করন, এস জে হাই স্কুলকে মডেল প্রকল্পে নেয়াসহ অসংখ্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজ করেছেন।

প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপন করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে মুকসদপুর উপজেলার টেংরাখোলা, বনগ্রাম বাজার, কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

মুকসুদপুর হাসপাতালকে ৩৯ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করনসহ কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্যানিটেশন কার্যক্রমের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় প্রধানমন্ত্রী তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী হিসেবেও তাকে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন।

লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান ছিলেন একজন সফল মন্ত্রী। এ সকল কাজের সফলতা বিবেচনা করেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আগামী নির্বাচনে তাকে গোপালগঞ্জ-১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসন থেকে আওয়ামীলীগের টিকিট দিবেন বলে মনে করছেন এলাকার সাধারন মানুষসহ রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *