টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সাদিয়া আফরিন গ্রেফতার : দেহ ব্যবসারও অভিযোগ

প্রথম সকাল ডটকম: আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় চিত্রনায়িকা সাদিয়া আফরিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তবে গ্রেফতারের দুদিন পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি-মিডিয়া) শারমিন জাহান এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় গত ২১ মে রাজধানীর মিরপুর থানায় করা একটি মামলায় (মামলা নম্বর-৪৩) তাকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে গ্রেফতার করে সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম বিভাগ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘২০১৩ সালে মো. মিজানুর রহমান খানের সঙ্গে চিত্রনায়িকা সাদিয়া আফরিনের ফেসবুকে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে সাদিয়া আফরিন মিজানুর রহমানকে বলেন, যে তার স্বামী বিদ্যুৎকুমার সাহা ওরফে সৌরভ সিনেমা প্রযোজনা করেন। মিজানুর রহমানকে সিনেমায় অর্থ বিনিয়োগে লাভবান হওয়ার প্রলোভন দেখান।

তাদের বিশ্বাস করে মিজানুর রহমান তার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ ও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বিভিন্নসময়ে সর্বমোট দুই কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু বিনিয়োগের বেশকিছু দিন পার হয়ে যাওয়ার পর তাদের বারবার তাগাদা দিলেও তারা সিনেমা না বানিয়ে টালবাহানা শুরু করে।

এরপর টাকা ফেরত চাইলে চিত্রনায়িকা সাদিয়া আফরিন সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি টাকা দিতে পারবেন না। টাকা না দেয়ার কথা জানানোর পর মিরপুর থানায় মামলা করেন মিজানুর রহমান। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। এরপর সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহর অভিযানে সাদিয়া আফরিন ও তার স্বামী বিদ্যুৎ কুমার সাহাকে কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

একটি সুত্র থেকে জানা যায়, সাদিয়া এরখম বিভিন্ন ব্যাক্তির সাথে প্রতারনা করে আসছিল। তার হাতে কোন ছবি না থাকায় দেশের বাইরে সে দেহ ব্যবসা করতো। সে তার দেহ দেখিয়ে এর আগেও কয়েকজনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্বসাৎ করে। ইতিমধ্যে সে বিভিন্ন দেশে কয়েকজনের সাথে রাত্রি যাপন করেছে স্বামী পরিচয় দিয়ে। মুলত তার স্বামী কে তা কাউকে জানায়নি। ঐ সুত্র জানায়, নায়িকা পরিচয়ে সে তার দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *