যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তাকে দিয়েই তদন্ত : পুলিশের প্রতিবেদন দিতে গড়িমশি

আসাদুজ্জামান (হিল্লোল) ডোমার (নীলফামারী): নীলফামারীর ডোমারে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তাকে দিয়েই একটি পিটিশন মামলার তদন্ত করালেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা।

অপর দিকে ওই তদন্ত কর্তা মনগড়া প্রতিবেদন দেয়ায়,ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকা  ভূক্তভোগীর। মামলার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিন কেতকীবাড়ী গ্রামের মৃত ফজল উদ্দিনের ছেলে মজিবর রহমান তার পৈত্রিক সূত্রে পাপ্ত জোতে দির্ঘ দিন থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।

তার ওই জোতে একই এলাকার মতিউর রহমান গং এর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। মজিবর রহমানকে সেখান থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭শে ডিসেম্বর ১৭ইং সালে মতিউর দিনে দুপুরে দলবল,লাঠিশোঠা লইয়া ফিল্মি কায়দায় মজিবরকে তার বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে।

এসময় মজিবরকে কনকনে শীতের রাতে শিশু সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাতকাটাতে হয়। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও চিলাহাটী তদন্ত কেন্দ্রে অবগত করালেও তারা আসামী কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেন। পরে মজিবর বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামলা নং ১২৩/১৭ (ডোমার) দায়ের করলে ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি ডোমারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজে তদন্ত না করে তদন্তের ভার দেন কেতকীবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপুর উপর। যার বিরুদ্ধে মজির এই মামলায় অভিযোগের তীর ছুড়েছেন। মজিরবর রহমান, প্রতিবেদককে বলেন, আদালত আমার মামলাটি নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্তের দ্বায়িত্ব দিলেন, আর নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা নিজে তদন্ত না করে যাকে তদন্তের ভার দিলেন তার বিরুদ্ধে এই মামলায় অনাস্থা আনা হয়েছে।

তিনি যে প্রতিবেদন দিয়েছে আর অধিকাং কথাই মিথ্যা। তহশীলদার যেখানে প্রতিবেদন দিয়েছে ২শতকের উপর আমার ঘড়বাড়ী আছে সেখানে তিনি আমার প্রতিবেদনে বলেছে,আমি নাকি তার কাছে তিন মাসের জন্য জমিটিতে ধার নিয়ে বাড়ী করেছি। কতবড় মিথ্যুক। আমি এখনো শিশু সন্তান নিয়ে মানুষের জমিতে তাবু তাঙ্গিয়ে বসবাস করছি।

আর পুলিশের তদন্ত টাকা-পয়শা ছাড়া হবে বলে মনে হয়না। কারণ চিলাহাটী তদন্ত কেন্দ্রর এস আই ইলিয়াস দীর্ঘ তিন মাসেও আমার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি। কারণ বাড়ীতে এসে ২বার কাগজ পত্র দেখে তদন্ত করার পরও সে এখন আকার ইঙ্গিতে টাকা নিয়ে থানায় দেখা করতে বলে। আমার তো সে সমর্থ নাই।

তাই ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকায় আছি। এবিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা বলেন, মামলা তদন্তের সময় যে নথি সরবরাহ করা হয়েছে তাতে চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগের বিষয়ে কোন কাগজ পত্র দেয়া হয়নি। আশাকরি আদালত বিষয়টি বুঝবে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *