ডিমলায় পরকিয়া প্রেমে এক গৃহবধুর আত্বহত্যার চেষ্টা

আবু মোতালেব হোসেন, (নীলফামারী): নীলফামারীর ডিমলায় পরকিয়া প্রেমে ধরা পড়ে আয়েশা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধু ঘুমের ঔষধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।

বুধবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার বাবার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটায়। একদিকে তার স্বামী বলছে, আমি তাকে নিয়ে আর সংসার করতে চাই না। অন্যদিকে তার প্রেমিক গা ঢাকা দিয়েছে।

উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ঠাকুরগঞ্জ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী আয়েশা ও বালাপাড়া ইউনিয়নের শোভানগঞ্জ বালাপাড়া গ্রামের মৃত ফয়েজ উদ্দিনের মেয়ে।

ওইদিন রাতে ঘুমের ঔষধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে পরিবারের লোকজন তাকে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করান। ডিমলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আয়েশা বুধবার রাতে বলেন, আমার স্বামী- সতœান থাকার পর একই ইউনিয়নের মধ্যছাতনাই গ্রামের কাশেম আলী ছেলে ফয়েজ উদ্দিন (২৫)এর সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

আমার স্বামীসহ পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে আমাকে ফয়েজ উদ্দিনের বাড়ীতে গিয়ে উঠতে বলেন।  কিন্তু ফয়েজকে বিয়ের কথা বলা মাত্রই সে ফোন কেটে দিয়ে পালিয়েছে। তবে আমি বর্তমানে আমার স্বামীর কাছে যেতে চাই ও ফয়েজের শাস্তি চাই । আয়েশার মা আবেদা বেওয়া বলেন, এলাকার লম্পট ফয়েজ উদ্দিনের জন্য আমার মেয়ের সংসারটা ভেঙ্গে গেল।

আমার মেয়ে পারছে না সংসার করতে, না পারছে ফয়েজকে বিয়ে করতে। এ কারনে আত্মহত্যার জন্য গুমের ঔষধ খেতে পারে। আয়েশার স্বামী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকের কাজ করতে যাই আর এ সুযোগে আমার স্ত্রী ফয়েজকে ডেকে এনে প্রায় আমার বাড়ীতে রাখে। আমি তাকে নিয়ে আর সংসার করতে চাই না।

তার পরিবারকে ডেকে সব বলে দিয়েছি। এ কথা জেনে তারা আমার ৩ বছরের জান্নাতি নামের মেয়েকে আমাকে দেয়নি। আতœহত্যার চেষ্টার বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, আমি কিছুই জানি না। গত তিনদিন থেকে সে তার বাবার বাড়ীতে আছে।  এ ব্যাপারে, পলাতক প্রেমিক ফয়েজ উদ্দিন বলেন, আয়েশা আক্তারের সাথে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই, তার তো স্বামী সন্তান রয়েছে। আমি তার সাথে প্রেমে জড়াবো কেন?

This website uses cookies.