রাজাপুরে ইটের পাজায় পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজি

মোঃ আঃ রহিম রেজা, (ঝালকাঠি): ঝালকাঠির রাজাপুর থানার গাড়ির ড্রাইভার পুলিশ শহিদুল ইসলামের (ব্যাচ নং ৩২) বিরুদ্ধে ইটের পাজায় গিয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, ভাটায় ইটে দাম চড়া হওয়ায় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বিভিন্ন লোকজন ব্যক্তিগত কাজের জন্য নিজেদের বাড়ির অঙ্গিনায়, ভিটায়, ফসলি জমিতে ও খালের পাড়ে ৩ শতাধিক ইটের পাজায় কাঠ দিয়ে ইট পুড়ছে।

পরিবেশ দুষনের নাম করে এসকল ইটের পাজায় রাজাপুর থানার থানার গাড়ির ড্রাইভার পুলিশ সদস্য শহিদুল প্রত্যেক পাজা থেকে ১ হাজার-৫ হাজার পর্যন্ত চাদা তুলছেন বলে অভিযোগ এসব পাজার মালিকদের।

শহিদকে টাকা দিলেই পাজা বৈধ নইলে পুলিশ ইট পুড়তে দিবে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইটের পাজার মালিক অভিযোগ করে বলেন, কয়েদিন আগে পুলিশ শহিদুল ওই ইটের পাজায় গিয়ে মালিককে থানায় দেখা করতে বলেন। দেখা না করে ইটের পাজায় আগুন দিকে হুমকি দিয়ে আসেন।

কিন্তু পাজার মালিক থানায় দেখা না করেই ওই ইটের পাজায় অগুন দিলে গত ৯ মার্চ সোমবার দুপুরে পুলিশ শহিদুল হাজির হয় এবং থানায় দেখা না করে কেন পাজায় আগুন দেয়া হলো সে জন্য পাজার মালিকের প্রতি চড়াও হয়। এর পরে পাজার মালিককে বলে, থানায় তো দেখা করতেই হবে এবং তাকে হুন্ডার তৈল খরচ বাবদ আরও পাঁচশত টাকা দিতে হবে বলে দাবি করেন শহিদ ড্রাইভার।

কাঠিপাড়ার এক পাজার মালিকও একই অভিযোগ করেন। জানা গেছ ইতোমধ্যে উপজেলার প্রায় একশতাধিক ইটের পাজায় আগুন দেয়া হয়েছে। বাকি গুলো আগুন দেয়ার অপেক্ষায় আছে। অভিযুক্ত রাজাপুর থানার গাড়ির ড্রাইভার পুলিশ শহিদুল ইসলাম পাজায় যাওয়া কথা স্বীকার করে জানান, হোন্ডার তেল খরচ ও মিষ্টি থেকে পাজার মালিকরা খুশি হয়ে যা দেয়, কারও কাছে চাদা দাবি করিনি।

রাজাপুর থানার ওসি সামসুল আরেফিন জানান, বিষয়টি খোজ নিয়ে নিয়ে দেখছি। ঝালকাঠির সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (সার্কেল/রাজাপুর-কাঠালিয়া) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন রেজা জানান, তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *