সিলেটের সারী নদীতে বালু উত্তোলনের মহোৎসব : সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব

শোয়েব উদ্দিন, জৈন্তাপুর (সিলেট): ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সারী নদী থেকে বন্ধ হচ্ছে না অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। প্রতিদিন হাজার হাজার সিএফটি বালু উত্তোলনের মহোৎসবে মেতেছে স্থানীয় প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীরা।

প্রভাব বিস্তার করে সারী নদীর বালু মহাল নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিদিন কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই অসাধূ বালু খেকোরা। ফলে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ ইাজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলন করা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে সারী নদীর বালু মহালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টাস্কর্ফোস অভিযন চালিয়ে ৩০ হাজার বর্গফুট বালু জব্দ করেন।

পরে জব্দকৃত বালু পুনরায় লিলাম দেন এবং গত ৩০ মার্চের মধ্যে বালু সরিয়ে নেয়ার নির্দেশও প্রদান করেন তিনি। কিন্তু এ চক্রটি প্রশাসনের কথা মানতে নারাজ। নির্বাহী কর্মকর্তা নির্দেশ অমান্য করে ওই প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীরা রোববার (০১ এপ্রিল) থেকে আবারও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চাঁদা আদায় করেতে শুরু করেছে।

জানা যায়, বর্তমানে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীদের নিয়োজিত লোকজন এসব বালু মহালের চাঁদা আদায় করছে। প্রতিযোগিতামূলক বালু উত্তোলন করা হচ্ছে সারী নদীতে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ ও ট্রাক ড্রাইভারদের জিম্মি কারে বালুর রাজস্বের নামে নেয়া হচ্ছে বড় অংকের চাঁদা। বালু ব্যবসায়ীর সভাপতি আলহাজ্ব হারুন সাহেব বলেন, এ বিষয় নিয়ে আপনি কথা বলবেন না ,এটা আমরা দেখবো।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরিন করিম বলেন, সারী ও বড়গাং নদীর বালু মহালের ইজারাদারদের মেয়াদ গত ২৪ মার্চ শেষ হয়েছে। এরআগেও অভিযান চালিয়ে আমরা বালু জব্দ করেছি। এরপরও তারা থেমে নেই। তিনি আরো বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে শিঘ্রই টাস্কর্ফোসে’র অভিযান পরিচালনা করা হবে।

This website uses cookies.