সিলেটের গোলাপগঞ্জে গৃহকর্মীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

জাহিদ উদ্দিন, (গোলাপগঞ্জ সিলেট): গোলাপগঞ্জে কাজের কথা বলে এক গৃহকর্মী (২২) কে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে গৃহকর্তীর বিরুদ্ধে।

৬মাস কাজ করার পর ওই গৃহকর্মীকে বেতন না দিয়ে উল্টো নির্যাতন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সোমবার দুপুরে উপজেলার পৌর সদরে মুন্না রেষ্টেুরেন্ট সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী এলওয়ারা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, গত বছরের ১আগস্ট উপজেলার ঢাকাদক্ষিণের রায়গড় গ্রামের রজব আলীর পুত্র জাহেদ আহমদ (৩০) ও মুত হাফিজ উদ্দিনের পুত্র মনাফ উদ্দিন (৪০) গৃহকর্মীর মা এলওয়ারা বেগমের কাছ থেকে মাসে তিন হাজার টাকা বেতন দেয়ার কথা বলে তার মেয়েকে রায়গড় গ্রামের মৃত রকিব আলী ওরফে রছিব আলীর স্ত্রী আছমা বেগমের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে নেয়া হয়।

এসময় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একই ইউনিয়নের দত্তরাইল গ্রামের মৃত তাহির আলীর পুত্র চান মিয়া, আবুল হোসেনের পুত্র আলী হোসেন ও রায়গড় গ্রামের জিলাল আহমদের স্ত্রী নাজমা বেগম। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এ গৃহকর্মীর মা এলওয়ারা বেগম গৃহকর্তী আছমা বেগমের কাছে মাসিক বেতনের টাকা আনতে গেলে এক সাথে চলিত বছরের ফেব্রুুয়ারি মাসে সব টাকা দেয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়ে বিদায় করে দেন।

এরপর ১৫ফেব্রুয়ারি তিনি মেয়ের বেতনের টাকার জন্য আবারও গৃহকর্তী আছমা বেগমের বাড়িতে গেলে এই গৃহকর্মী তার মাকে জানায় সে খুব কষ্টে আছে এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। তখন এ গৃহকর্মীর মা তার মেয়ের সব পাওনা টাকা ও মেয়েকে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য বললে তারা টাকা ও মেয়েকে দিতে অস্বীকার করে এবং গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এ গৃহকর্মীর মা লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এলাকার জাহেদ আহমদ, রজব আলী ও আছমা বেগম অসৎ উদ্দেশ্যে তার মেয়েকে বন্দি করে রেখেছে ও এবং তার মেয়ের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। এ ব্যপারে তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারী সিলেটের নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট-২ এর আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে গৃহকর্মীর মা এলওয়ারা বেগম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গৃহকর্মীর চাচা চাঁন মিয়া ও দাদা  সিরাজ উদ্দিন।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *