‘পুরুষাঙ্গ ফর্সা’ করতে ব্যাস্হ থাইল্যান্ডের মানুষ!

প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: থাইল্যান্ডে পুরুষরা মেতেছেন তাদের পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার দৌড়ে! ব্যাংককের লিলাক্স হাসপাতালে মাসে অন্তত একশো পুরুষ আসেন শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার জন্যে।

বিপদ আছে জেনেও এটা করে তারা মজা পান। অনেকে মনে করেন সঙ্গীনিকে মুগ্ধ করতেই এমন বিপদের ঝুঁকি নিতেও কোনও অসুবিধা নেই। লিলাক্স হাসপাতাল আগে নারীদের যৌনাঙ্গ ফর্সা (থ্রিডি ভ্যাজিনা) করার চিকিত্সা করা হত।

মাঝেমধ্যেই পুরুষাঙ্গ ফর্সা করতে আবদেন করতেন পুরুষরাও। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই সার্ভিস চালু করার সঙ্গে সঙ্গেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। লিলাক্স হাসাপাতালে চিকিত্সক বুনথিতা ওয়াতানাসিরি বলেন, লেজার পদ্ধতিতে এই চিকিত্সা করা হয়।

ত্বকের মেলানিনকে ধ্বংস করা হয় লেজারের মাধ্যমে। তবে চিকিত্সক ওয়াতানাসিরি মেনে নিচ্ছেন, পুরুষাঙ্গ এতটাই সংবেদনশীল, যে বিপদের ঝুঁকি থাকে প্রতি মুহূর্তে। ২২ থেকে ৫৫ বছর বয়সী পুরুষরা তাদের পুরুষাঙ্গ ফর্সা করা জন্য এখানে আসেন। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই চিকিত্সার বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে।

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় এই খবর। সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, বর্ণবিদ্বেষের ইন্ধন দিচ্ছে ওই সংস্থা। কোনো কোনো মহিলা বলেছেন রং কী এসে যায়! তবে চিকিত্সায় সুফল পাওয়া এক পুরুষ বলেন, “পুরুষাঙ্গ ফর্সা করার পর আত্মবিশ্বাস ফিরেছে আমার।

 

This website uses cookies.