প্রমিজ সুইটসের মিষ্টিতে পোকা ও দূর্গন্ধ কথা জানানোয় ক্রেতাকে ম্যনেজারের উত্তম মাধ্যম

বিজয় মন্ডল, শ্যামনগর, (সাতক্ষীরা): শ্যামনগর প্রমিজ সুইটসের হোটেলে গত বুধবার আনুমানিক ১.৩০ টার দিকে ম্যানেজার কর্তৃক ক্রেতাকে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

শ্যামনগর সদরে প্রমিজ সুইটসের প্রথম দিকে সুনাম থাকলেও বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের সমস্ত অর্জন এখন ম্লান হতে চলেছে।

উক্ত প্রতিষ্ঠানে অদক্ষ কিছু কর্মচারী এবং ম্যানেজার অসিম সরদারের কারণে প্রতিনিয়ত কোন না কোন ঝামেলা লেগেই থাকে। গত ৩ দিন আগে আলামিন টেলিকমে মেহমান আসলে প্রমিজ সুইটস থেকে মিষ্টি আনা হয়।

তাহার একটা মিষ্টির ভিতরে পোকা ও গন্ধ থাকায় ফেরত দেওয়া হয়। বলা হয় পরে নেব। মেহমান ছিল শ্যামনগর থানার সেকেন্ড অফিসার, ম্যানগ্রোভ আবাসিক হোটেল ম্যানেজার, সৌদিয়া আবাসিক হোটেল কর্মচারী। ফেরত দেওয়া মিষ্টি চাইতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উক্ত প্রমিজের ম্যানেজার সহ কর্মচারীরা আলামিনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

তাছাড়া প্রমিজ সুইটসের বিরুদ্ধে রয়েছে অগণিত অভিযোগ। কয়েক দিন আগে শ্যামনগর থানায় ২ কেজি মিষ্টি নেয়, সেটি ও ছিল পচা ও দূর্গন্ধ। বিষয়টি নিয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মুঠো ফোনে তাকে সতর্ক করলে, পুনরায় থানাতে ভাল মিষ্টি পঠানো হয়। এমনই অনেক ক্রেতাদের সাথে মিষ্টি বিক্রয় নিয়ে রয়েছে ম্যানেজার অসিমের বিরুদ্ধে নানান অভিযো।

জানা গেছে, কালিগজ্ঞ উপজেলার বালিয়াডেঙ্গা বিষ্ণুপুর গ্রামে তাদের মিষ্টি তৈরির কারখানা রয়েছে, এতো দূর থেকে মিষ্টি তৈরি করে আনা নেওয়া নিয়ে রয়েছে সুশিল সমাজে নানান প্রশ্ন। রাতের আধারে নিম্নমানের মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি দূর থেকে সরবরাহ করা হয়। এবং বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়, নিম্ন মানের বিভিন্ন দ্রব্য দিয়ে মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য তৈরি করা হয়।

অভিযোগ আছে, তারা যে প্যাকেটে মিষ্টি দেয় তার খালি প্যাকেটের ওজন ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম। এবং বাজার ছাড়া মিষ্টির দামও অনেক গুন বেশি। হোটেলে পানির পাত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয় পরিতাক্ত প্লাষ্টিক বোতল। বোতলগুলো পরিস্কারের অভাবে সর্বক্ষণ পানিতে ময়লা পাওয়া যায়। হোটেলের মেঝেতে সব সময় নোংরা ও ভেজা স্যাতসেতে পরিবেশ থাকে।

যাহার কারণে, প্রমিজ সুইটসের হোটেল মশা-মাছিতে পরিপূর্ণ থাকে। হোটেল টি নিয়ে অহোরহো অভিযোগ থাকলেও নেওয়া হয়নি কোন প্রকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা। সরজমিনে যেয়ে, হোটেলের ম্যানেজার অসিম সরদার সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদকে কোন তথ্য না দিয়ে অন্যদের সাথে গল্পে মেতে থাকেন।

অনেক বার কথা বলার চেষ্টা করলে,পরবর্তিতে সে রামারির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও অন্যান্য অভিযোগের বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে শ্যামনগর হাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস,এম ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবাদ মিমাংসা করেছি। এবং ময়লা পোকাযুক্ত ও বাসি মিষ্টি সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি দেখার দায়িত্ব আমার না প্রশাসনের।

This website uses cookies.