সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে সিভি জমা দিলেন যারা

প্রথম সকাল ডটকম (সিলেট): অল্প কিছু দিনের মধ্যে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষনা করা হবে। নতুন কমিটি জন্য ইতিমধ্যে জীবন বৃত্তান্তও জমা দেয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদ পাওয়ার জন্য আলোচনায় রয়েছেন প্রায় ১৫ জন।

আর সে কারনে সভাপতি পদে কে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন, এ নিয়ে সিলেটে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মাঝে আগ্রহ ও কৌতুহল দেখা দিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সেটা জানা যাবে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ঘোষনা দেয়ার পর।

এদিকে কাঙ্কিত এ পদটি পাওয়ার জন্য শুরু হয়ে গেছে লবিং। স্হানীয় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে চলছে লবিং। সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনার পর থেকে নানা বিতর্কিত কর্মকান্ড, মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের কমিটি (১৮ অক্টোবর) বিলুপ্ত করা হয়।

কমিটি বিলুপ্তের পর নতুন কমিটি গঠনের জন্য পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহবান করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। একটি সুত্র থেকে জানা যায়, আসন্ন ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে বেশ কয়েকজন জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। তার মধ্যে ১৫ জনকে ঘিরেই আলোচনা বেশি। আর এরা হলেন:- শাহপরান ব্লক ছাত্রলীগ গ্রুপ থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী রশিদুল ইসলাম রাশেদ।

সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন রাশেদ। এ গ্রুপ থেকে সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সহ-সভাপতি সুহেল আহমদ মুন্না এবং সহ-সম্পাদক ইশতিয়াক চৌধুরীও আছেন সভাপতি পদের দৌড়ে। তেলিহাওর গ্রুপ থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে আগ্রহী সাবেক সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন পারভেজ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাওয়াদ ইবনে জাহিদ খান ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাক্কুর আহমদ জনি।

সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ পাওয়ার দৌড়ে আছেন সুরমা গ্রুপের মুহিবুর রহমান ও বিপ্লব দাস। সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন মুহিব, বিপ্লব ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক। ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রীয় গ্রুপের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রণজিত সরকারের আশির্বাদপুষ্ট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য নাজমুল ইসলাম, কনক পাল ও অসীম কান্তি কর সভাপতি পদ পেতে আগ্রহী।

বিলুপ্ত হওয়া কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন অসীম, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন কনক। টিলাগড়কেন্দ্রীক গ্রুপের মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদের আশির্বাদপুষ্ট অনিরুদ্ধ মজুমদার পলাশ, হারুনুর রশীদ ও মিজানুর রহমান মিজান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী।

গেল কমিটিতে পলাশ ও হারুন উভয়েই ছিলেন সহ-সভাপতি পদে। আর মিজান ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। এদিকে, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলুর সমর্থনপুষ্ট সাজু আহমদও আছেন সভাপতি পদ পাওয়ার দৌড়ে।

সম্প্রতি বিলুপ্ত জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। সূত্র জানায়, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে প্রায় তিন শতাধিক নেতা নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। তবে সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান চৌধুরী নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেননি।

 

This website uses cookies.