বনপাড়া পল্লীবিদ্যুতের সেবার নমুনা : ৫ মিনিটের কাজ সারতে সময় লাগলো ৫ ঘন্টা

সুরুজ আলী, বড়াইগ্রাম (নাটোর): নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সদর দপ্তরের অবস্থান বড়াইগ্রামের বনপাড়া-পাবনা মহাসড়কের পাশে কালিকাপুরে।

শনিবার ঈদের দিন সকাল ১১টার দিকে সড়কের অপর পাশেই প্রায় ১ হাজার গজ অদূরে কালিকপুর পশ্চিম পাড়ায় লাইনের ফিউজ কেটে গেলে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা।

স্থানীয়রা ১২ টার দিকে দপ্তরের তথ্য ও অভিযোগ কেন্দ্রে বিষয়টির জানানোর পর সে ফিউজ মেরামতের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ এর মেকানিক আসে বিকাল ৪টার দিকে এবং মাত্র ৫ মিনিটের মেরামতে লাইনটি পুনরায় চালু হয়।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এই সেবার নমুনা ও স্বেচ্ছাচারী আচরণে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।  কালিকাপুরের কৃষক নান্নু সেক জানান, গরু কোরবানী দিয়ে মাংস ও বর্জ্য পরিস্কার করতে পানির মোটর চালু করার সাথে সাথে বিদ্যুৎ চলে যায়। ভেবেছি ঈদের দিন তাড়াতাড়ি লাইন চলে আসবে কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টার অপেক্ষা করেও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় সে কাজ সারতে বিকেল হয়ে যায়।

গৃহিনী মুক্তা বেগম জানান, রাইস ও কারী কুকারে রান্না বন্দোবস্ত করেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ না পাওয়ায় অতিথি ও পরিবারের লোকজন দুপুরে খাবার খেয়েছে বিকাল সাড়ে ৫টায়। ঠিক এমনই অভিযোগ ওই এলাকার প্রতিটি গ্রাহকদেরই।

স্থানীয় গ্রাহকেরা ঈদের দিনের এই সেবার নমুনাকে কান্ডজ্ঞানহীন স্বেচ্ছাচারীতা বলে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার নিতাই চন্দ্র সরকার জানান, ঈদের দিন হওয়ায় জরুরী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারীর সংখ্যা কম ছিলো। তাই এমনটা হয়েছে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *