জাবিতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী পালিত

প্রিয়ংকেশ ভৌমিক, (জাবি প্রতিনিধি): সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলসহ নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা হলে’র পক্ষ থেকে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহার নেতৃত্বে বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়।

বিকেলে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগও উপস্থিত ছিলো। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘বাঙালি জাতির উত্থান, বঙ্গবন্ধুর বেড়ে উঠা, জাতি নির্মাণ ও রাষ্ট্র গঠনের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

প্রধান আলোচক হিসেবে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির বলেন, ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মনেপ্রাণে একজন আদর্শ বাঙালি নারী ছিলেন। তিনি যে কোন পরিস্থিতি দৃঢ়তার সঙ্গে মোকাবিলা করতেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর ঐকান্তিক সহযোগিতার কথা আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা আরো বলেন যে, ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের প্রতিবিম্ব ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। দলের নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেয়া ও পরিবার-পরিজনের যে কোন সঙ্কটে পাশে দাঁড়াতেন তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর দিকনির্দেশনা এবং অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, শিক্ষক সমিতির সম্পাদক ফরিদ আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা ও সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল প্রমুখ। এছাড়াও আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন হলের আবাসিক শিক্ষক ও সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাকিব আহমেদ।

This website uses cookies.