দিনাজপুর খানসামায় মটরসাইকেলে ছিটকে পড়ে রহস্য জনক মহিলার মৃত্যু

মোঃ তারিকুল ইসলাম চৌধুরী, খানাসামা, (দিনাজপুর): গত মঙ্গলবার সকালে মটর সাইকেলে এক ৬৫বছরের বয়স্কা মহিলা ছিটকে পড়ে রহস্যজনক অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুর খানসামা উপজেলার সহজপুর গ্রামে।

৮বছরের শিশু কন্যার ধর্ষণ, খানসামায় যে খবরটি আলোচনার ঝড় তুলেছিল, সেই মামলার স্বাক্ষী ও ধর্ষিত শিশু মেয়েটির দাদী।

ধর্ষন মামলার স্বাক্ষি  মটর সাইকেলে ছিটকে অস্বাবিক মৃত্যুতে উপজেলার সাধারণ মানুষদের মনে প্রশ্ন ও চাঞ্চল্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে।

৮ বছরের শিশু ধর্ষন  মামলার শিশুটির দাদী জহুরা খাতুন(৬৫) একই গ্রামের মোসাহাব হোসেন খাঁ (ছাপ্পা) (৬৮) পিতাঃ  সেরাত আলী খাঁ। পাশাপাশি এবং একই গ্রাম হওয়ায় জহুরা  তার নাতনীর  মামলার ব্যাপারে ছাপ্পার বাড়িতে পরার্মশ ও মামলা বিষয়ক আলোচনা দীর্ঘ দিন চালিয়ে আসছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় জহুরা খাতুন ও ছাপ্পা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেবুর রহমানের সাথে দেখা করার উদ্দ্যেশ্যে মটর সাইকেল করে বের হন। মটর সাইকেলে যাওয়ার সময় খানসামা ডিগ্রি কলেজ মোড়ে মটর সাইকেল থেকে চিটকে পড়ে যায় জহুরা খাতুন। আহত জহুরাকে খানসামা কোন ডাক্তারের কাছে না নিয়ে গিয়ে লোকজন একত্র হওয়ার সাথেই জহুরাকে অভিযুক্ত ব্যাক্তি মৃত্যু বলে ঘোষনা করে দেয়।

ঘটনা স্থলে গেলে এলাকার অনেকে বলে হাসপাতালে বা কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে বুঝা যেত জীবিত আছে না মারা গেছে। অনেক দর্শক বলেন বয়স্কা জহুরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেচেঁও যেতে পারত। ঘটনাস্থলে কোন ডাক্তার আসেনি। কোন  পল্লী চিকিৎসক বা কোন মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত না করেই মৃত্যু ঘোষনা অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই করে ভ্যান যোগে লাশটিকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে  ছাপ্পা বলেন জহুরা খাতুন আমার মটরসাইকেলে জোর করে চাপিয়ে বসেন। এইটা একটা দূর্ঘটনা মাত্র। এলাকার লোকজন ঘটনাটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার,থানা,চেয়্যারম্যান, মেম্বার, সাংবাদিকসহ আরো অনেক সমাজের গন্যমান্য লোকজনদের জানায়। এই বিষয়ে মুঠো ফোনে থানা ইনচার্জ আঃ মতিন প্রধানের সঙ্গে কথা বললে জানায় থানায় ইউডি মামলা হয়েছে। মৃত্য জহুরার নাতি আঃ খালেক(২০) বাদী হয়ে ইউডি মামলা দায়ের করেন বলে জানা যায়।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *