মালিঙ্গার কাছে সব হ্যাটট্রিকই স্পেশাল

প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদীন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই বাজিমাত লঙ্কান ডানহাতি পেসার লাসিথ মালিঙ্গার। প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালকে বোল্ড করার মাধ্যমে শুরু, পরের ম্যাচে একেবারে হ্যাটট্রিক।

ওয়ানডেতেও এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। গুরুত্বের প্রশ্ন তুলতেই জানালেন, প্রতিটা হ্যাটট্রিকই তার কাছে সমান গুরুত্ব বহন করে।  ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দশম আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলতে ভারত পৌছেছেন মালিঙ্গা।

সেখানেই টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘হ্যাঁ, এটা আমার আরেকটা হ্যাটট্রিক ছিল। আমি আসলে কোনো হ্যাটট্রিককে আলাদা করে বিবেচনা করি না। প্রতিটা হ্যাটট্রিকই স্পেশাল।

সবগুলো হ্যাটট্রিকই আমাকে আনন্দ দেয়, অনুপ্রেরণা দেয়। এটা আমার কঠোর পরিশ্রমের ফল। ২০০৭ বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছিলেন এই লঙ্কান পেসার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই ওয়ানডেতে ম্যাচে চার বলে চার উইকেট নিয়ে গড়েছেন এক অনন্য রেকর্ড।

এরপর একই ফরম্যাটে হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন আরো দুইবার। ২০১১ সালে কেনিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কলম্বোতে হ্যাটট্রিক করে হয়েছিলেন ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকের মালিক। সর্বশেষ ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুশফিকুর রহিম,মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মেহেদী হাসান মিরাজকে পরপর তিন বলে আউট করে মালিঙ্গা দেখা পেয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকের।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মালিঙ্গার হ্যাটট্রিকের পরও জেতেনি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মালিঙ্গার হ্যাটট্রিককে ম্লান করে দিয়ে বাংলাদেশের সীমিত ওভারের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার বিদায়ী টি-টোয়েন্টি ম্যাচটা স্মরণীয় করে রেখেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। সূত্র: ডেকান ক্রনিকল

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *