যে কারনে ইসলামে নিষিদ্ধ পহেলা বৈশাখ পালন

মোস্তাফিজ আহমাদ: (১)“এসো হে বৈশাখ” বলা নিষেধ৷ কারন এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়৷ অথচ কল্যানের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ্ তায়ালা। (২) বড় বড় র্যালি বের করা যাকে মঙ্গল শুভ যাত্রা বলা হয়, এটা নিরেট হিন্দুদের ধর্মীয় কাজ। যা কোন মুসলমান কখনো করতে পারেনা৷

(৩) পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়া এটা ও মূলত হিন্দুদের থেকে এসেছে কেননা তারা আশ্বিনের শেষ রাত্রে রান্না করে কার্তিকের প্রথম দিনে খায়৷

(৪) এই দিনে সাদা কাপড়/শাড়ী পরিধান করে এবং কপালে শাখা-সিঁদুর লাগায় ও উলুধ্বনি দেয়৷ যা মূলত হিন্দুদের কাজ৷ (৫) জীব জন্তূর কার্টুন ব্যবহার করা,যেমন বাঘ,শিয়াল,বানরের এটা ঠিক নয়৷

কারন হিন্দুরা হনুমান/ সাপের পূজা করে৷ এগুলো নিষেধের কারন হলো: রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি অন্য কোনো জাতির অনুসরন করবে, সে তাদের দল ভূক্ত হবে৷ তাই আমরা হিন্দুদের দল ভূক্ত হতে চাই না৷

(৬) গালে, কপালে, হাতে উল্কি আঁকা, শরীরের যে কোনো জায়গায় অঙ্কন করা। এটা তিন কারনে নিষেধ (ক): হাদীসে এসেছে, যে ব্যক্তি উল্কি আঁকে, এবং যে আঁকায় তাদের উপর আল্লাহর অভিশাপ৷(খ) শারিরীক লস, কেননা চিকিৎসকরা বলেন, কেমিক্যল ক্রিম/বস্তূ গুলো ত্বকের জন্য ব্যবহার করা মারাত্বক ক্ষতিকর৷

(গ) বেপর্দা (৭) গান বাজনা ছাড়া তা পালন হয় না৷ তার জন্য ঢোল/তবলার প্রয়োজন, আর হিন্দুরা পূজার সময় ঢোল,তবলা বাজায়৷ তা ছাড়া হাদিস শরীফে নিষেধ করা হয়েছে।(৮) নারী,পুরুষের অবাধ মেলামেশা৷ যার ফলে অনেক সময় অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হয়, যেমন গত বৎসরের আগের বৎসর পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছে৷

আর গত বৎসর টি,এস,সি মোড়ে যা হয়েছে তা সবার জানা৷ এ ছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ও রমনা পার্ক এলাকার অবস্থা যে কত ভয়াবহ রূপ ধারন করে তা লিখে শেষ করার নয়৷(৯) আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টির পরিবর্তন। যেমন উল্কি, ক্ষুদাই করা, মুখোশ ব্যবহারের দ্বারা করা হয়, অথচ তা সম্পূর্ন নিষেধ৷ ১০) পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে দুই ঈদের বিকল্প হিসাবে দাঁড় করানো হয়।

যেমন গত কয়েক বৎসর পূর্বে প্রথম আলোর হেড লাইন ছিল, “বাংগালীদের সব চেয়ে বড় উৎসব” ব্যবধান হল শুধু মাত্র ঈদ শব্দের, ঈদ বলতে পারতেছেনা ভয়ে, কেননা ঈদ বলে/লিখে দিলে মানুষের মার খেতে হবে৷ তাই ঈদের মত নতুন খাবার,কাপড়, এবং মিডিয়ায় খুব বেশি প্রচারনা চলতে থাকে৷তা ছাড়া অপচয় টাকা ব্যয় করা হয়৷

যেমন ইলিশের হালি চল্লিশ হাজার টাকা (গত বৎসরের মানবজমিন)হায়রে বাংঙালী! পহেলা বৈশাখে ইলিশ- পান্তা না খেলে কি বাংঙালী থাকা যায়না? মনে রাখবেন এর দ্বারা হয়ত আপনি বিশাখ দেবতাকে খুশি করতেছেন, না হয় শয়তান কে!!! কেননা হিন্দুরা বিশাখ তারার পূজা করে এই দিনে৷ না হয় অপচয় খরচ করে শয়তানের বন্ধুতে পরিনত হলেন৷ অতচ আল্লাহপাক কুরআনে বলেন,” নিঃসন্দেহে অপচয়কারী হলো শয়তানের ভাই” আল্লাহ অপচয় কারী কে ভালবাসেন না”৷ আল্লাহপাক প্রত্যেক মুসলমান নর- নারী কে পহেলা বৈশাখ পালন করা থেকে হেফাযত করুন৷

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *