ইরফানও ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত

প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: শারজিল খান ও খালেদ লতিফের পর পাকিস্তানের দীর্ঘদেহী বোলার মোহাম্মদ ইরফানের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে দুবাই থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে ইরফানকে।

এর আগে পাকিস্তান সুপার লিগে ইরফানের সতীর্থ শারজিল খান ও খালিদ লতিফের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার প্রমাণ পায় পিসিবি। এ ঘটনায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞাও পেয়েছেন তাঁরা। দুবাই থেকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে তাঁদের।

সেলিম মালিক, আতাউর রহমান থেকে শুরু করে সালমান বাট, মোহাম্মদ আমির ও আসিফ—ম্যাচ গড়াপেটায় নিষিদ্ধ হওয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের তালিকাটা বেশ লম্বা। এবার এ তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছেন শারজিল, খালিদ ও ইরফান। পিএসএলে গত বৃহস্পতিবার পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ইরফান।

তবে দীর্ঘদেহী এই বোলার মোবাইলে জুয়াড়িদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে তথ্য রয়েছে পিসিবির কাছে। ইরফানের ফোন, ল্যাপটপসহ আরো কিছু জিনিস এরই মধ্যে জব্দ করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। ব্র্যাড হাডিন ও ডোয়াইন স্মিথ-ঝড়ে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে ৭ উইকেটে জিতেছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। ম্যাচে চার বলে মাত্র এক রান করেন শারজিল।

তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, বেশ দৃষ্টিকটুভাবে আউট হয়েছেন এই ব্যাটসম্যান। খালিদ লতিফ ম্যাচে না খেললেও পরোক্ষভাবে বাজিকরদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ থাকার কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান জানিয়েছেন, দেশে ফেরত পাঠানো ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে প্রমাণ রয়েছে তাঁদের কাছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত করেই তাঁদের দেশে পাঠানো হয়েছে। আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।

পিসিবি বস আভাস দিয়েছেন, কেবল এই তিনজই নয়, ম্যাচ গড়াপেটায় জড়িত রয়েছেন পাকিস্তানের আরো কয়েকজন ক্রিকেটার। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের এ ঘটনার আগুনে ঘি ঢেলেছেন সাবেক পাকিস্তানি কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান জাভেদ মিয়াঁদাদ।

তিনি বলেন, ‘একজন আন্তর্জাতিক স্তরের ব্যাটসম্যানের কাছে এ ধরনের শট অগ্রহণযোগ্য।’ মিয়াঁদাদের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তানের সাবেক ওপেনার আমির সোহেল বলেন, ‘এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। আমার মনে হয়, ভেতরে অনেক কিছু লুকায়িত আছে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *