চাকরিজীবীদের অগ্রিম কর দিতে হবে : এনবিআর

7প্রথম সকাল ডটকম: করযোগ্য আয় থাকলে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের অগ্রিম কর দিতে হবে। নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানই বেতন দেওয়ার আগে এ অর্থ কেটে  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দেবে।

এ ছাড়া সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা বাধ্যতামূলক। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কিংবা উৎপাদনের তত্ত্বাবধান পর্যায়ে সব চাকরিজীবীর ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) নিতেই হবে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে চাকরিজীবীদের আয়কর বিবরণী ও কর দেওয়ার বিষয়ে বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রতি মাসে বেতন থেকে অগ্রিম কর কাটা, সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সীমার আয়ের বেশি হলে আয়কর বিবরণী জমা এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের ই-টিআইএন বাধ্যতামূলক।

ইতিমধ্যে এনবিআর এসব নতুন উদ্যোগের কথা করদাতাদের জানাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেছে। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, অগ্রিম করের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বার্ষিক আয়, বিনিয়োগের অনুমানভিত্তিক পরিমাণ হিসাব করতে হবে। বিনিয়োগে কর রেয়াত বাদ দিয়ে যে পরিমাণ আয় অবশিষ্ট থাকবে, সেটাকে ধরে প্রদেয় কর হিসাব করতে হবে।

এ অনুমিত করের পরিমাণকে ১২ দিয়ে ভাগ করে প্রতি মাসে তা বেতন থেকে কেটে রাখা হবে। সেই কর অগ্রিম কর হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। অগ্রিম করের অর্থ কেটে রেখে কর্মীদের বেতন-ভাতা দিতে হবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানকে। উল্লেখ্য, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ টাকা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর থেকে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর আয়কর থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *