হবিগঞ্জের বাহুবলে সুন্দরী এনি’র খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন প্রবাসীরা

52প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: রুমানা আক্তার এনি নামে পরকিয়া আসক্ত এক সুন্দরী যুবতীর খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত ধর্নাঢ্য প্রবাসীরা। ফ্রান্স প্রবাসী স্বামীর বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারসহ অর্থকড়ি নিয়ে পালিয়ে যাবার পর এমন অভিযোগই করছেন এনি’র স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

অভিযোগে প্রকাশ, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মিশন রোডের বাসিন্দা মৃত মোঃ আব্দুল ফাত্তাহ-এর পুত্র ফ্রান্স প্রবাসী জুবায়ের আহমেদ বাবলুর সাথে বিয়ে হয় বাহুবল উপজেলার খাগাউড়া-কালাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হক ওরফে দুলা মিয়ার কন্যা রুমানা আক্তার এনি’র।

কিন্তু বিয়ের পর পরই সাবেক প্রেমিক ও একাধিক ধর্নাঢ্য প্রবাসীর সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে এনি। আপত্তিকর ছবিসহ বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গত বছরের মার্চ মাসে নগদ লক্ষাধিক টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ স্বামীর বাসা থেকে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনার পর বাবলুর ছোট ভাই জাবের আহমেদ সিদ্দিকি শ্রীমঙ্গল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং-১৩৩২।

এদিকে, সাধারণ ডায়েরির পর উল্টো স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন এনি। কিন্তু মামলাটি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বাদীনির বিরুদ্ধে ১৭ ধারায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই একে এম রাসেল। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট আদালত এনি’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানাও জারি করেছিলেন।

বাবলুর পরিবারের অভিযোগ, পালিয়ে যাবার পর এনি হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময় বাসা বদল করে ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিদের সাথে পরকিয়া সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে। এরকম কিছু আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে। তাছাড়া এনি’র শায়েস্তানগরের সার্কিট হাউজ এলাকার ভাড়া বাসায় নাকি প্রায়ই অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, রুমানা আক্তার এনি এ প্রতিবেদকের সাথে অশোভন আচরণ করেন। তবে এনি’র ভাড়া বাসার মালিক জানান, মাঝে মাঝে দুলা ভাই পরিচয় দিয়ে কোন কোন ব্যক্তি আসা যাওয়া করে। অপরিচিত ব্যক্তিদের আনাগোনার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এনি’র দুলা ভাইয়ের সংখ্যা একজনই। তার নাম লিটন মিয়া।

লিটনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা গত প্রায় ৩/৪ বৎসর যাবত এনি’র সাথে তার কোন যোগাযোগই নেই। এখন প্রশ্ন হল, লিটনের বক্তব্য সত্য হলে, বাড়ির মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী দুলা ভাই পরিচয়ে প্রায়ই কারা যাচ্ছে এনি’র বাসায়।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *