স্বর্ণালঙ্কার ফিরিয়ে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্হাপন করলেন মুক্তা

প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: গহনার প্রতি নারীর টান যুগযুগান্তরের। নিজেকে সাজাতে গহনার বিষয়ে সচেতন অধিকাংশ নারী। নিজের কতটুকু স্বর্ণালঙ্কার আছে তা হিসেবের বিষয় বৈকি।

অর্জনেও অনেক ক্ষেত্রে মারমুখী হয়ে ওঠা এই নারীদের মধ্যেও ব্যতিক্রম দেখা যায়। তেমনি এক নিলোর্ভ গৃহবধু মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মুক্তা। পুরো নাম মাবিয়া আক্তার মুক্তা (২৮)। উপজেলার গাংকুল গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল ইসলামের স্ত্রী তিনি।

কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণালঙ্কার ফিরিয়ে দিয়ে উপজেলায় আলোচনার সৃষ্টি করেছেন। জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল বুধবার বিকেলে বড়লেখা পৌর শহরের আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টারের সামনে কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট কুড়িয়ে পান মুক্তা। তাতে ছিলো পৌনে তিন ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন।

প্রকৃতি মালিককে ফিরিয়ে দেবার ইচ্ছার কথা বাড়িতে ফিরে স্বামী শহিদুল ইসলামকে বলেন। মুক্তার স্বামী চেইন পওয়ার বিষয়টি বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সাধরণ সম্পাদক ছাদ উদ্দিনকে অবহিত করেন। এবং এলাকাজুড়ে মাইকিং-এর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মাইকিং শুনে বেরিয়ে আসেন চেইনটির প্রকৃত মালিক পপি বেগম।

১৫ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদ উদ্দিনের উপস্থিতিতে পপি বেগমের হাতে স্বর্ণের চেইনটি তুলে দেন মাবিয়া আক্তার মুক্তা। বড়লেখা হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদ উদ্দিন চেইনের প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের সত্যত্য নিশ্চিত করে জানান, চেইনটির মূল্য লক্ষটাকার উপরে। চেইনটি প্রকৃত মালিকেকে ফিরিয়ে দিয়ে মাবিয়া আক্তার মুক্তা সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

This website uses cookies.