বিপিএলে আবারো ফিক্সিং

প্রথম সকাল ডটকম (ঢাকা): টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৫ সন্দেহভাজন জুয়াড়িকে ধরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দুর্নীতি দমন ইউনিট। ঢাকায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেই ধরা হয়েছিল চারজনকে, যাদের প্রত্যেকেই বিদেশি।

এদিকে বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এক ব্যক্তিকে ধরেছে বিসিবি। বিসিবি সূত্র জানায়, সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ জায়গায় মোবাইলে কথা বলছিলেন ওই ব্যক্তি। সেখানে সেলফোনে কথা বলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ; সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে তাকে ধরা হলেও পরে স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেয়া হয়।

বাকিদেরও একই অবস্থা। এদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি দুর্নীতি দমন ইউনিট। বরং প্রত্যেককেই স্টেডিয়ামের বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এদের মধ্যে একজন নাকি ছিলেন লাইসেন্স করা জুয়াড়ি। জুয়া খেলা, বাজি ধরাই তার কাজ। এদিকে ৩০ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংস-বরিশাল বুলস ম্যাচ নিয়ে সন্দেহটা এখনো কাটেনি। বরং এ ম্যাচ থেকে অপ্রীতিকর কিছু বের হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। অতীতে বিপিএলে এসব ঘটনাকে গুরুত্ব দেয়নি বিসিবি।

এর ফলেই ফিক্সিংয়ের বিষ প্রবেশ করেছিল। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যা কলঙ্ক হয়েই টিকে আছে এখনো। আর এই ফিক্সিংয়ের কারণেই বিপিএল বন্ধ ছিল দুই বছর। ফিক্সিং পাপের রাহুগ্রাস থেকে বিপিএলকে মুক্ত রাখতে বিসিবি অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারপরও বিপিএলকে তাড়া করে ফিরছে ফিক্সিংয়ের অন্ধকার জগত। তবে এবার ফিক্সিং রোধে অনেক সচেষ্ট বলেই জানিয়েছে বিসিবি।

This website uses cookies.