নববর্ষ ভাতা বাতিল করে সম্মানিত দ্বীনী বিষয়ে ভাতা প্রদান করুন

05 (4)মনসুর হায়দার: মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন, “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো না। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- আরবী, ইংরেজি, বাংলা সব ধরনের নববর্ষ পালন করাই হারাম ও কুফরী।

তাই নববর্ষ উপলক্ষে ভাতা প্রদান করাও হারাম ও কুফরী। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার মুসলমানগণ উনাদের টাকা কস্মিনকালেও হারাম ও কুফরী কাজে ব্যয় করতে পারে না। সরকার যদি কোনো ভাতা দিতেই চায়, তবে মুসলমানগণ উনাদের সবচেয়ে বড় ঈদ “পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ” এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আযহাসহ যেকোনো দ্বীনী বিষয় উপলক্ষে ভাতা দিতে পারে।

অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে অবিলম্বে হারাম ও কুফরীমূলক ‘নববর্ষ ভাতা’ বাতিল করে সম্মানিত দ্বীনী বিষয়ে ভাতা প্রদান করা। নচেৎ মুসলমানগণ উনাদের টাকা হারাম ও কুফরী কাজে ব্যয় করার কারণে সরকারকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও মনোনীত দ্বীন; যা ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ‘আলে ইমরান’ শরীফ উনার ১৯ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই সম্মানিত ইসলামই হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত বাংলাদেশে কী করে বিজাতীয় সংস্কৃতি বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভাতা প্রদান করা যেতে পারে? প্রকৃতপক্ষে নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে মজুসীদের নওরোজ পালনের অনুষ্ঠান। সাথে সাথে হিন্দু-মুশরিকদের ঘটপূজা, বৌদ্ধদের উল্কি অঙ্কন।

ফলে তারা নওরোজ বা নববর্ষ পালন উপলক্ষে পান্তা খায়, গান-বাজনা করে, র‌্যালী করে, জীব-জানোয়ারের মুখোশ পরে, মিছিল করে, শরীরের নানা অঙ্গ-প্রতঙ্গে উল্কি আঁকে, ডুগডুগি বাজিয়ে নেচে নেচে হৈহুল্লোড় করে, পুরুষরা ধুতি ও কোণাকাটা পাঞ্জাবী, যা হিন্দুদের জাতীয় পোশাক, তা পরে, মেয়েরা লাল পেড়ে সাদা শাড়িসহ হাতে রাখি বাঁধে, শাঁখা পরে, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়, বেপর্দা-বেহায়া হয়। নাউযুবিল্লাহ! সুতরাং নববর্ষ উপলক্ষে ভাতা প্রদান করার অর্থ হচ্ছে- উল্লিখিত হারাম, কুফরী ও হিন্দুয়ানী কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করা। নাউযুবিল্লাহ!

যা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন, “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো না। কাজেই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার মুসলমান উনাদের টাকা কস্মিনকালেও হারাম ও কুফরী কাজে ব্যয় করতে পারে না।

সরকার যদি কোনো ভাতা দিতেই চায়, তবে মুসলমানগণ উনাদের সবচেয়ে বড় ঈদ “পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ” এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আযহাসহ যেকোনো দ্বীনী বিষয় উপলক্ষে ভাতা দিতে পারে। অতএব, সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে অবিলম্বে হারাম ও কুফরী ‘নববর্ষ ভাতা’ বাতিল করে সম্মানিত দ্বীনী বিষয়ে ভাতা প্রদান করা। নচেৎ মুসলমানগণ উনাদের টাকা হারাম ও কুফরী কাজে ব্যয় করার কারণে সরকারকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। [email protected] (মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *