ঈদে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ৭টি টিপস

2 (1)প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: ঈদের সময়ে ইচ্ছে থাকুক আর না থাকুক অতিরিক্ত খাওয়া হয়েই যায়। সারাবছর অপেক্ষা করার পরে ঈদ এলে এতো বিধিনিষেধওক মানতে ইচ্ছে না করাটাই স্বাভাবিক। ঈদের সময়ে নানান দাওয়াতে গেলে একেবারে কম খেয়েও থাকা যায় না। কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চললে এই ঈদে নিজের পছন্দের খাবারগুলো খাওয়ার পরেও আপনার ওজনটা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। জেনে নিন এই ঈদে ইচ্ছেমতো খাওয়ার পরেও ওজনটা নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ কিছু উপায় সম্পর্কে।

প্রচুর পানি খান:- ঈদের সময়ে প্রচুর পানি পান করুন। বিশেষ করা খাওয়ার আগে কমপক্ষে একগ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে আপনার হজমে গন্ডগোল হবেনা। সেই সঙ্গে আপনি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার প্রবণতা থেকেই মুক্তি পাবেন। চর্বি পরিহার করুন:- কোরবানির সময়ে মাংস তো খাওয়া হবেই। কিন্তু মাংসের চর্বিটা ফেলে খাওয়াই ভালো। কারণ মাংসের চর্বি বেশি খেলে খুব দ্রুত মুটিয়ে যাবেন আপনি। তাই রান্না করার সময়ে চর্বি ফেলে রান্না করাই ভালো।

প্রতিদিন খান ইসবগুলের ভুষি:- ইসবগুলের ভুষিতে আছে প্রচুর ফাইবার যা মেদ ঝরাতে সহায়তা করে। তাই এই সময়ে প্রতিদিন দুই বেলা করে ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার অভ্যাস করে ফেলুন। এতে আপনার মেদ কমবে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। সকালে গরম লেবু-মধু পানি:- ঈদের কয়টা দিন সকালে অবশ্যই হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাবেন। এতে আপনার শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমে যাওয়ার ভয়টা থাকবে না। ঈদের সময়ে পছন্দের খাবার খেয়েও আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

সালাদ / টকদই / লেবু:- ঈদের সময়ে প্রতিবেলা খাবারের সাথেই টক দই, লেবু, সালাদ ইত্যাদি খাবার রাখুন। এই খাবারগুলো অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দিতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে এই খাবারগুলো আপনাকে রাখবে তরতাজা। ৮টার মাঝে রাতের খাবার সেরে ফেলুন:- ঈদের দাওয়াত থাকলেও চেষ্টা করুন আপনার রাতের খাবারটা ৮টার মাঝেই সেরে ফেলার।

খুব বেশি দেরী হলেও ৯টার পরে আর রাতের খাবার খাওয়া উচিত নয়। ঘুমানোর কমপক্ষে ২/৩ ঘন্টা আগেই রাতের খাবার খাওয়ার কাজ সেরে ফেলা উচিত। প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাটুন:- ঈদের সময়ে প্রচুর খাওয়াদাওয়া হয়। এই অতিরিক্ত খাবারের ক্যালরি পোড়ানোর জন্য এসময়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাটার অভ্যাস করুন। এতে আপনার ওজনটা থাকবে একদম নিয়ন্ত্রণে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *