জিম্বাবুয়ে সিরিজের বোনাস ৮৮ লাখ টাকা

66প্রথম সকাল ডটকম ডেস্ক: ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটির মেয়াদ পার হয়েছে এক বছর। দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম ব্যাপক রদবদল হলো স্ট্যান্ডিং কমিটিতে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম নতুন মেয়াদে বেতন বাড়েনি ক্রিকেটারদের। বৃহস্পতিবার বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৫ সালে চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৪ করা হয়েছে। তবে বেতন আগের মতোই। সর্বোচ্চ বেতন ২ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৬০ হাজার টাকা। ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের বেতন ২ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৬০ হাজার টাকা পাবেন ‘ডি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররা। চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারের সংখ্যা বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য ক্রিকেটারদের আলাদা কোনো বোনাস দিচ্ছে না ক্রিকেট বোর্ড। পুরনো চুক্তি অনুযায়ীই বোনাস পাবেন ক্রিকেটাররা। এদিকে সর্বশেষ জিম্বাবুয়েকে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে ক্রিকেটাররা বোনাস পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ ডলার বা ৮৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ২০১৪ সালে বিসিবির বেতনভুক ক্রিকেটার ছিলেন ১২। এবার ১৪। চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন বাঁ হাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাক রাজ, অফ স্পিনার সোহাগ গাজী ও পেসার রবিউল ইসলাম। এক বছর পর চুক্তিতে ফিরেছেন বাঁ হাতি ওপেনার ইমরুল কায়েশ। প্রথমবারের মতো চুক্তিভুক্ত হয়েছেন দুই বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও আরাফাত সানি এবং পেসার শফিউল ইসলাম সুহাস ও আল-আমিন। চুক্তির আওতায় ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরিতে রয়েছেন চার ক্রিকেটার, ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও বাঁ হাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরির বেতন ২ লাখ টাকা। ‘এ’ ক্যাটাগরির একমাত্র ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বেতন ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ‘বি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার পেসার রুবেল হোসেন, ব্যাটসম্যান নাসির হাসেন ও ইমরুল কায়েশ। বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ‘সি ক্যাটাগরির ক্রিকেটার মুমিনুল হক সৌরভ, এনামুল হক বিজয় ও শফিউল ইসলাম সুহাশ। বেতন ৯০ হাজার টাকা। ‘ডি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার তাইজুল ইসলাম, আরাফাত সানি ও আল-আমিন। তিনজনই প্রথমবারের মতো ক্রিকেট বোডের্র বেতনের আওতায় এসেছেন। তাদের বেতন ৬০ হাজার টাকা। বেতন ছাড়াও দলনায়ক হওয়ায় অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক যথাক্রমে ২০ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে বাড়তি অর্থ পাবেন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম খেলা ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। সব মিলিয়ে গ্রুপ পর্বে খেলা ছয়টি। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডকে টপকে যদি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেন মাশরাফি বাহিনী, এজন্য কোনো বাড়তি বোনাস পাবেন না। আগের মতোই ক্যাটাগরিক্যালি বোনাস পাবেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী স্কোয়াডের সবাই বোনাস পাবেন। বোনাসের হারও নির্ধারিত। র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ তিন দলের (১-৩) বিপক্ষে জিতলে বোনাস ২০০০ ডলার, ৪-৬ র‌্যাংকিংয়ের দলের বিপক্ষে ১৫০০ এবং ৭-৯ র‌্যাংকিংয়ের দলের বিপক্ষে জয় পেলে বোনাস ১০০০ হাজার ডলার। এই হিসেবে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ ডলার বোনাস পেয়েছেন ক্রিকেটাররা। ১৫০০ ডলার করে পাঁচ ম্যাচে ১৫ ক্রিকেটার এই বোনাস পেয়েছেন। ৭৮ টাকা করে হিসেবে মোট অথের্র পরিমাণ ৮৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বোনাস দেওয়া হোক বা না হোক, দলের সাফল্যের জন্য মুখিয়ে আছে গোটা দেশ।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *