কবি আন্ওয়ার আহমদের ১১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা

89 (1)আব্দুল লতিফ, (বগুড়া): কবি-সম্পাদক ও সাংবাদিক আন্ওয়ার আহমদ এর ১১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়া লেখক চক্রের আয়োজনে এক স্মরণসভা গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উডবার্ণ পাবলিক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা কবি বজলুল করিম বাহার। স্মরণসভার শুরুতেই কবি আন্ওয়ার আহমদ স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন কবি মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কবি রেজাউল করিম চৌধুরী, কবি শোয়েব শাহরিয়ার, শিশু সাহিত্যিক-গবেষক আহমাদ মাযহার, গল্পকার মনি হায়দার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বগুড়ার সহ-সভাপতি আবদুল্লাহেল কাফী তারা ও সাধারণ সম্পাদক এবিএম জিয়াউল হক বাবলা, দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, বগুড়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হাসান ময়না, বগুড়া বাউল গোষ্ঠির সভাপতি আবু সাঈদ সিদ্দিকী, এ্যাড. সংগঠনের উপদেষ্টা পলাশ খন্দকার, শিশু সাহিত্যিক আব্দুল খালেক, কবি শিবলী মোকতাদির, আরটিভি ও ইত্তেফাকের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি জিএম সজল, কবিপুত্র নাজিম আনওয়ার রূপম, কবি আজিজার রহমান তাজ, কবি পান্না করিম ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমির খসরু সেলিম। স্মরণসভায় লিটল ম্যাগাজিন স¤পাদনার জন্য ‘বৈঠা’ সম্পাদক কবি শিহাব শাহরিয়ারকে ‘কবি সম্পাদক আন্ওয়ার আহমদ স্মৃতিপদক’ প্রদান করা হয়। স্মরণসভায় কবির জীবনী পাঠ করেন রবিউল আলম। আন্ওয়ার আহমদকে নিবেদীত কবিতা পাঠ করেন রাকিব জুয়েল, মোহাম্মদ নূরুল হক, শহিদুল ইসলাম, মীর মাসুদ পারভেজ, সতেজ মাসুদ, শাহান-ই-জেসমিন ডরোথী। বক্তারা বলেন-আন্ওয়ার আহমদ সারাজীবন নিঃস্বার্থভাবে সাহিত্যের জন্য কাজ করে গেছেন। লেখক তৈরীতে তার অবদান ছিল অসামান্য। তিনি সম্পাদক হিসেবে ছিলেন যথার্থ। সম্পাদক হিসেবে তিনি সব সময় লেখকদেরকে লেখা তৈরীতে তাড়া দিয়েছেন। বর্তমানের অনেক বিখ্যাত লেখকের জন্ম তার হাত দিয়ে। তিনি ছিলেন প্রকৃতঅর্থে একজন লিটল ম্যাগাজিন স¤পাদক। তিনি অনেক লেখকের বই প্রকাশ করেছেন নিজের প্রকাশনী থেকে। বিশেষ করে বগুড়ার ষাট দশকের কবিদের বই তার দিয়েই প্রকাশনা শুরু হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় জীবিত থাকতে যারা বিভিন্নভাবে আন্ওয়ার আহমদ এর মুখাপেক্ষী ছিলেন, তারা তাকে স্মরণ করছেন না। এ ক্ষেত্রে বগুড়া লেখক চক্র তাঁকে স্মরণ করে একটি মহৎ কাজ করছে। ভাল কাজে বাঁধা থাকবেই, তবুও সাহিত্যের কাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তরণদের পাঠের মাধ্যমেই আন্ওয়ার আহমদ বেঁচে থাকবেন। কেননা তিনি ছিলেন চিরতরুণ।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *