নোয়াখালীর ভূঁইয়া বাড়ির হরিণ খামার

প্রথম সকাল ডট কম ডেস্ক: ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা হরিণের খামার দেখতে আশপাশের গ্রাম এমনকি পাশের জেলাগুলো থেকেও মানুষ আসছেন। দর্শনার্থীদের কোলাহলে ভূঁইয়া বাড়িতে এখন কান পাতা দায়। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশরপাড় ইউনিয়নের কলাবাড়ীয়া গ্রামে ভূঁইয়া বাড়ির অবস্থান। জেলায় বিনোদনের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু না থাকায় ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই বাড়ি। কারণ এই বাড়িতেই গড়ে তোলা হয়েছে হরিণের খামার। ঈদ, পূজাসহ বিভিন্ন উপলক্ষে মানুষ পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে বের হন। এ অঞ্চলের মানুষ ঘুরতে আসেন ভূঁইয়া বাড়িতে। তারা এখানে হরিণের খামার দেখে মুগ্ধ হন। এ জন্য অবশ্য দর্শনার্থীদের প্রবেশমূল্য দিতে হয় না। এ কারণেই হয়তো দিন দিন এখানে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে। জানা গেছে, ২০০০ সালে শখের বসে সৌদি প্রবাসী আব্দুল কাদের ভূঁইয়া ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে ২৭ হাজার টাকায় দুটি হরিণ কিনে খামারের কার্যক্রম শুরু করেন। খামারে জমির পরিমাণ প্রায় ২ একর। খামারে বর্তমানে ২৫টি হরিণ রয়েছে। যদিও এর মধ্যে ৩টি হরিণ রোগাক্রান্ত। ইতোমধ্যে  সুচিকিৎসার অভাবে কয়েকটি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। হরিণ দেখতে আসা সেনবাগ উপজেলার কয়েকজন শিক্ষর্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চিড়িয়াখানায় গিয়ে হরিণ দেখা অনেকের পক্ষে সব সময় সম্ভব হয় না, তাই সবাই মিলে তারা এখানে হরিণ দেখতে এসেছে। খামারের কেয়ারটেকার জসিম জানান, প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে এমন অনেকেই হরিণ দেখতে আসেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বেশি আসেন। খামারের পরিচালক মো. অপু বলেন, শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১২টি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। গত রোজার ঈদের পর থেকে ৫টি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। এর অন্যতম কারণ চিকিৎসকের অভাব। সরকারি সহযোগিতা এবং কিছু সমস্যার সমাধান হলে খামারটি এ অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হতে পারে। সে চেষ্টা করা হচ্ছে। খামারটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করার জন্য সরকারের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সুত্র: রা: বি, লেখক জাহাঙ্গীর আলম

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *