কোরান-হাদিসের আলোকে মুসলিম নারীর পর্দা

pardaপ্রথম সকাল ডেস্ক: আগেই আলোচিত হয়েছে ইসলামি শরিয়ত সম্মত পূর্ণ পর্দা তখনই হবে যখন সে পর্দা বা আবরণ আটটি শর্ত সমৃদ্ধ হবে। কোরান-হাদিসের আলোকে শরিয়ত সম্মত পূর্ণাঙ্গ পর্দার শর্তগুলো নিম্নরূপ: প্রথম শর্ত : অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মতে পুরো শরীর ঢাকা: কোন কোন আলেমের মতে যদি ফিতনার আশঙ্কা না থাকে, তখন চেহারা ও কব্জি-দ্বয় সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, যদি নারী সুন্দরী না হয়ে থাকে, চেহারা ও হাতে কোন সজ্জা গ্রহণ না করে, তখন কব্জি-দ্বয় ও মুখ খুলে রাখাতে কোন অসুবিধা নাই। আর মহিলাটি যে সমাজে বসবাস করে সে সমাজে এমন কোন খারাপ লোক বা দুর্বৃত্ত নাই যারা মহিলাদের দিকে কু-দৃষ্টি দেয়। তখন নারীদের জন্য তাদের চেহারা ও হাতের কব্জি-দ্বয় খোলা রাখাতে কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু যদি উল্লেখিত শর্তগুলো না পাওয়া যায়, তখন নারীদের জন্য তার চেহারা ও হাত খুলে রাখার বিষয়ে ওলামাদের ঐক্য মত হল, তাদের চেহারা ও কব্জি-দয় খুলে রাখা কোন ক্রমেই বৈধ নয়। দ্বিতীয় শর্ত : হিজাব নিজেই সৌন্দর্যবর্ধক না হওয়া: যেমন এতটা আকর্ষণীয় রঙের হওয়া যা সবার দৃষ্টি কাড়ে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, وَقُللِّلۡمُؤۡمِنَٰتِيَغۡضُضۡنَمِنۡأَبۡصَٰرِهِنَّوَيَحۡفَظۡنَفُرُوجَهُنَّوَلَايُبۡدِينَزِينَتَهُنَّإِلَّامَاظَهَرَمِنۡهَاۖ #النور: ٣١ ‘আর মুমিন নারীদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করবে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না। {সূরা আন-নূর, আয়াত : ৩১}। অতএব পর্দা যখন খোদ নিজেই সৌন্দর্যের আকার ধারণ করবে তা প্রকাশ বৈধ হবে না। তাকে হিজাব বা পর্দাও বলা হবে না। কারণ, হিজাব তো সেটিই যা বেগানা পুরুষের সামনে সৌন্দর্য প্রকাশে অন্তরায় সৃষ্টি করে। সুতরাং বোরকা পরেও যারা নিজের সৌন্দর্য প্রকাশে অস্থির তারা যেন বিষয়টি ভেবে দেখেন। সত্যিকারার্থে শরয়িত সম্মত পর্দা রক্ষায় সংকল্পবদ্ধ হয়ে তারা যেন সৌন্দর্য আড়ালকারী রঙকে অগ্রাধিকার দেন। বলাবাহুল্য সেটি হলো কালো রঙ। পাশাপাশি তারা যেন কারুকাজ ও জাঁকজমককেও এড়িয়ে যান। তৃতীয় শর্ত : মোটা ও পুরু হওয়া যাতে সৌন্দর্য দৃশ্যমান না হয়: কারণ হিজাবের উদ্দেশ্য নারীর মুগ্ধ করা সৌন্দর্য পরপুরুষের আড়াল করা। অতএব পোশাক যদি আড়ালকারী না হয় তবে তাকে হিজাব আখ্যায়িত করা যায় না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন, وَلَايُبْدِينَزِينَتَهُنَّإِلَّامَاظَهَرَمِنْهَا # سورةالنــور: 31 “আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ করবে না”। وَلَاتَبَرَّجْنَتَبَرُّجَالْجَاهِلِيَّةِالْأُولَى # سورةالأحزاب :33 “আর তোমরা প্রাক জাহেলী যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না”। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পর্দা করার নির্দেশ দিয়েছেন যাতে নারীরা তাদের সৌন্দর্যকে গোপন করে এবং তাদের সৌন্দর্য প-দর্শন না করে। কিন্তু পর্দা যদি এমন সুন্দর হয়, যা দেখে পুরুষরা নারীদের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং ফিতনার মুখোমুখি হয়, তাহলে এ ধরনের পর্দার কোন অর্থ হতে পারে না। কারণ, এ ধরনের কাপড় ছাড়া পর্দা বাস্তবায়ন হবে না। কারণ, চিকন –পাতলা- কাপড় পরিধান করলে, বাস্তবে মহিলারা উলঙ্গই থেকে যায়। তারা তাদের পর্দার ভিতর আর থাকল না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, « سيكونفيآخرأمتينساءكاسياتعاريات , علىرُؤوسهنكأسنمةالبُخت , العنوهنفإنهنملعونات » صحيح আমার আখেরি জামানার উম্মতদের মধ্যে এমন কতক নারীর আবির্ভাব হবে, যারা পোশাক পরিধান করলেও মূলত তারা উলঙ্গ। তাদের মাথা উটের চোটের মত উঁচা হবে। তোমরা তাদের অভিশাপ কর, কারণ, তারা অভিশপ্ত। তিনি আরও বলেন, « لايدخلنالجنة , ولايجدنريحها , وإنريحهاليوجدمنمسيرةِكذاوكذا » # مسلم রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বিষয়ে আরও বলেন, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ অনেক দূর থেকে পাওয়া যাবে। [মুসলিম] এতে এ কথা স্পষ্ট হয়, নারীদের জন্য পাতলা ও মসৃণ কাপড় পরিধান করা মারাত্মক কবিরা গুনাহ। হজরত আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, «صِنْفَانِمِنْأَهْلِالنَّارِلَمْأَرَهُمَا،قَوْمٌمَعَهُمْسِيَاطٌكَأَذْنَابِالْبَقَرِيَضْرِبُونَبِهَاالنَّاسَ،وَنِسَاءٌكَاسِيَاتٌعَارِيَاتٌمُمِيلَاتٌمَائِلَاتٌ،رُءُوسُهُنَّكَأَسْنِمَةِالْبُخْتِالْمَائِلَةِ،لَايَدْخُلْنَالْجَنَّةَ،وَلَايَجِدْنَرِيحَهَا،وَإِنَّرِيحَهَالَيُوجَدُمِنْمَسِيرَةِكَذَاوَكَذَا» ‘জাহান্নামবাসী দুটি দল রয়েছে। যাদেরকে আমি এখনো দেখিনি। একদল এমন লোক যাদের হাতে গরুর লেজের মত লাঠি থাকবে, যা দিয়ে তারা লোকদেরকে প্রহার করবে। আর অন্য দল এমন নারী যারা পোশাক পরেও উলঙ্গ থাকে। তারা অন্যদের তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে নিজেরাও অন্যদের প্রতি ঝুঁকবে। তাদের মস্তক উটের পিঠের কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এমনকি জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ এর ঘ্রাণ এত এত দূর থেকেও পাওয়া যায়।’ [মুসলিম : ২১২৮] চতুর্থ শর্ত : প্রশস্ত ও ঢিলেঢালা হওয়া এবং সংকুচিত ও অন্তর্শোভা পরিদৃশ্যকারী না হওয়া।: যাতে অঙ্গের আকার বা অবয়ব দৃশ্যমান না হয় এবং দেহের প্রলুব্ধকর অঙ্গ প্রস্ফুটিত না করে। এটিও পূর্বে বর্ণিত হাদিসের নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। ঢিলা-ডালা কাপড় পরিধান করতে হবে, সংকীর্ণ কাপড় পরিধান করবে না। কারণ, পর্দার উদ্দেশ্য হল, জাতিকে ফিতনা থেকে রক্ষা করা। কিন্তু যখন কোন মহিলা সংকীর্ণ কাপড় পরিধান করবে, তখন তার শরীরের গঠন একজন দর্শকের স্পষ্ট হবে। পুরুষের চোখে তা একেবারেই স্পষ্ট হবে। ফলে পুরুষরা তাদের এহেন অবস্থা দেখে ফিতনা-ফ্যাসাদের সম্মুখীন হবে। যা পর্দা না করার কারণে হয়ে থাকে।হজরত উসামা ইব্ন যায়িদ (রা.) বলেন, كسانيرسولاللهصلىاللهعليهوسلمقُبْطِيَّةًكثيفةمماأهداهالهدِحْيَةُالكلبي , فكسوتُهاامرأتي , فقال: « مالكلمتلبسالقُبْطِيَّةً؟,» قلت: ] كسوتُهاامرأتي [ , فقال: « مُرها , فلتجعلتحتهاغُلالة » – وهيشعاريُلْبَسُتحتالثوب – « فإنيأخافأنتَصِفَحجمَعِظامِها » حسن পঞ্চম শর্ত : কাপড় সুগন্ধিযুক্ত না হওয়া: কারণ এতে করে তা পুরুষকে আরও বেশি প্রলুব্ধ করে। নারীর আতর ব্যবহারকে ব্যভিচারের পর্যায়ে গণ্য করা হয়েছে। হজরত আবূ মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, «كُلُّعَيْنٍزَانِيَةٌ،وَالمَرْأَةُإِذَااسْتَعْطَرَتْفَمَرَّتْبِالمَجْلِسِفَهِيَكَذَاوَكَذَا» يَعْنِيزَانِيَةً «هَذَاحَدِيثٌحَسَنٌصَحِيحٌ» ‘প্রতিটি চোখই ব্যভিচারী। আর নারী যখন সুগন্ধি ব্যবহার করে জনসমাগমের পাশ দিয়ে অতিক্রম তখন সে এটা সেটা অর্থাৎ ব্যভিচারী হয়।’ (কারণ সুগন্ধি পুরুষকে আকর্ষণ করে তার মধ্যে কামাগ্নি জ্বালিয়ে দেয়। আর শেষাবধি এটিই তাকে ব্যভিচারের দিকে নিয়ে যায়।) [তিরমিযি : ২৭৮৬] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, « أَيُّماامرأةٍاستعطرت , فَمَرَّتْعلىقومٍليجدواريحها , فهيزانية » # حسن “যদি কোন নারী খোশবু ব্যবহার করে কোন পরুষ সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে অতিক্রম করে যাতে তারা তার সুগন্ধ উপলব্ধি করতে পারে। তাহলে সে নারী ব্যভিচারী”।ষষ্ঠ শর্ত : পুরুষের পোশাকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ না হওয়া। হজরত আবূ হুরায়রা রাদিয়াআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, «لَعَنَرَسُولُاللَّهِصَلَّىاللهُعَلَيْهِوَسَلَّمَالرَّجُلَيَلْبَسُلِبْسَةَالْمَرْأَةِ،وَالْمَرْأَةَتَلْبَسُلِبْسَةَالرَّجُلِ» রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেসব পুরুষকে অভিসম্পাত করেছেন যারা নারীদের পোশাক পরে এবং সেসব নারীকে অভিসম্পাত করেছেন যারা পুরুষের পোশাক পরিধান করে। [আবু দাঊদ : ৪০৯৮] আরেক হাদিসে এসেছে, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, لَعَنَرَسُولُاللَّهِصَلَّىاللهُعَلَيْهِوَسَلَّمَالْمُتَرَجِّلاتِمِنَالنِّسَاءِ،وَالْمُخَنَّثِينَمِنَالرِّجَالَ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের বেশধারী নারীদের এবং নারীদের বেশধারী পুরুষদের অভিসম্পাত করেছেন। [মুসনাদে আহমদ : ২০০৬] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, « ليسمنامنتشبهبالرجالمنالنساء , ولامنتشبهبالنساءمنالرجال » # صحيح “যে নারী পরুষের সাথে সাদৃশ্য অবলম্বন করে এবং যে সব পুরুষ নারীর সাদৃশ্য অবলম্বন করে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়”। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যত্র আরও বলেন, « ثلاثلايدخلونالجنة , ولاينظراللهإليهميومَالقيامة: العاقُوالديه , والمرأةُالمترجلةالمتشبهةبالرجال , والدَّيُّوث » الحديث.
صحيح # “তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কিয়ামতের দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের প্রতি কোন করুণা করবে না। এক- যে মাতা-পিতার নাফরমানি করে, দুই- যে নারী পুরুষের আকৃতি অবলম্বন করে, তিন- দাইয়ূস (এমন ব্যক্তি যার পরিবারের মেয়েরা অশ্লীল কাজে লিপ্ত ও অশ্লীল পোশাক পরে অথচ সে তা সমর্থন করে”। [মুসনাদে আহমদ] সপ্তম শর্ত : কোনো আহলে কিতাব তথা ইহুদী-খ্রিস্টান বা বিধর্মীর পোশাকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ না হওয়া। কেননা ইসলামি শরিয়ত কাফেরদের সাদৃশ্য অবলম্বন করতে নিষেধ করেছে। পোশাক ও সংস্কৃতিতে তাদের থেকে ভিন্নতা অবলম্বনে উদ্বুদ্ধ করেছে। কেননা হজরত আবদুল্লাহ ইবন আমর বিন আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, رَأَىرَسُولُاللَّهِ -صلىاللهعليهوسلم- عَلَىَّثَوْبَيْنِمُعَصْفَرَيْنِفَقَالَ « إِنَّهَذِهِمِنْثِيَابِالْكُفَّارِفَلاَتَلْبَسْهَا ». রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার গায়ে জাফরান ব্যবহৃত একজোড়া কাপড় দেখে বললেন, ‘এসব হলো কাফেরদের পোশাক। তাই তুমি তা পরিধান করো না।’ [মুসলিম : ৫৫৫৫] রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন, قالرسولاللهصلىاللهعليهوسلم : « منتشبهبقومفهومنهم ». # صحيح রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি কোন কাওমের সাথে সাদৃশ্য রাখে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে”। [হাদিসটি বিশুদ্ধ] অষ্টম শর্ত : প্রসিদ্ধি লাভের পোশাক না হওয়া। হজরত আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, مَنْلَبِسَثَوْبَشُهْرَةٍفِيالدُّنْيَا،أَلْبَسَهُاللَّهُثَوْبَمَذَلَّةٍيَوْمَالْقِيَامَةِ،ثُمَّأَلْهَبَفِيهِنَارًا. ‘যে ব্যক্তি দুনিয়ায় প্রসিদ্ধি লাভের পোশাক পরবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে লাঞ্ছনার পোশাক পরাবেন। অতপর সে কাপড়ে তাকে প্রজ্বলিত করবেন।’ [ইবন মাজা : ৩৬০৭] প্রসিদ্ধ পোশাক হল, যে কাপড় পরিধান দ্বারা মানুষের মাঝে প্রসিদ্ধি লাভ করা উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। এটি দুই ধরনের হতে পারে। এক- অনেক দামি ও মূল্যবান কাপড়, যা অহংকার করে পরিধান থাকে। দুই- নিম্নমানের কাপড় যা এ কারণে পরিধান করা হয়ে থাকে যাতে মানুষ তাকে ইবাদত-কারী, বুজুর্গ ও আল্লাহর অলি বলে আখ্যায়িত করবে। যেমন-সে এমন এক অসাধারণ কাপড় পরিধান করল, যার রঙ, জোড়া, তালি ও অভিনব সেলাই দেখে মানুষ তার দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সে মানুষের উপর বড়াই ও অহংকার করে। প্রসিদ্ধি লাভের পোশাক সেটিই যা পরিধানের উদ্দেশ্য থাকে মানুষের নাম কুড়ানো। যেমন অহংকারের সঙ্গে রূপের বাহার দেখিয়ে খুব দামী বস্ত্র পরিধান করা। এই শর্তটি নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : মাওলানা মিরাজ রহমান

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *