শমসের মবিন চৌধুরী বেইমান : হাসিনা

69184প্রথম সকাল ডেস্ক: যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক বড় বড় জায়গা থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারপরও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। লাখ শহীদের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি এটাই তার প্রমাণ। আর মহান অর্জনের জন্য মহান ত্যাগের প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু সে ত্যাগ করে গেছেন। আমিও প্রস্তুত আছি। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদেরও যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে। আজ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে কৃষক লীগ আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীকে ‘বেইমান’ আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, শমসের মবিন চৌধুরীকে বঙ্গবন্ধু জার্মানিতে পাঠিয়ে চিকিৎসা করিয়েছিলেন। অথচ তিনিই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসনে সহায়তা করেছিলেন। আসলে বেইমান চিরকালই বেইমান। এটা হয়তো অনেকে জানেন না। স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র চলছেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাইনাস-টু ফর্মুলা দেখেছি। এছাড়াও অনেকবার আমি মৃত্যুকে সামনে থেকে দেখেছি। আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমার তো এখন আর হারাবার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্খা পূরণে, বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছি। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়া ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশকে পাকিস্তানের প্রদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু করে। কিন্তু রক্ত দিয়ে যে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের কেউ দাবায়া রাখতে পারে না। ২১ বছর তারা সত্য ইতিহাসকে চেপে রেখেছিল, কিন্তু সেটা পারেনি। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের খুনিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন দেশে আত্মগোপনে আছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলেও জানান তিনি। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান তাঁকে দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি মৃত্যুকে পরোয়া করি না