সুন্দরীরা পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

5425012 (3)প্রথম সকাল ডেস্ক: সুন্দরীদের পূজারি নন কোন পুরুষ! এটা যেমন গবেষণার বিষয় তেমনি সুন্দর নারী পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্যও যে ক্ষতির কারণ তাও গবেষণার বিষয়। সম্প্রতি মনোবিদরা এ ধরনের একটি বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন। আসলে সুন্দরীদের দেখলে সকল পুরুষের মনেই সাধ জাগে তাকে একটু হলেও দেখার। আর সে নারী যদি হয় অপরূপা তাহলে তো কথাই নেই। লাজ শরমের কথা ভুলে তার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতেও দেখা যায় অনেক পুরুষকে। তবে গবেষণা বলছে, সাধু সাবধান। সুন্দরীরা পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। হ্যাঁ, একদল গবেষক বলছেন, আকর্ষণীয় নারীর সান্নিধ্যে আসলে পুরুষের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। এমনকি এই চাপ বাড়ার কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে! সুন্দরী নারীদের নিয়ে এমন মতামত প্রচার করছেন স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তারা বলছেন, একজন পুরুষ সুন্দরী নারীর পাশে পাঁচ মিনিট বসলেই নাকি তাদের মধ্যে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। যা শরীরে কোট্রিসল নামক বিশেষ হরমোনের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। আর বিপত্তি সেখানেই। এই হরমোনের বাড়তি প্রবাহ আবার হৃদযন্ত্রের নানা রোগের জন্য দায়ী। অবশ্য গবেষকরা আশ্বস্ত করে বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে যারা নারীদের কাছ থেকে সব সময় দূরে থাকতে ভালোবাসেন তাদের জন্য সুন্দরীরা একটু বেশি ক্ষতিকর। ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবী পুরুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে প্রকাশ করেছে এই তথ্য। এসব স্বেচ্ছাসেবীদের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এককভাবে একটি কক্ষে বসিয়ে সুডোকু পাজলের সমাধান করতে বলা হয়। এ সময় অপরিচিত সুন্দরী এক নারীকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় সেই রুমে। আর তাতেই নাকি অনেকের শরীরে কোট্রিসলের প্রবাহ বেড়ে যায়। কিন্তু নারীর স্থলে কোনো পুরুষ রুমে ঢুকলে স্বেচ্ছাসেবী পুরুষদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গবেষকরা বলছেন, কম বয়সী সুন্দরী নারী আশপাশে দেখলে অধিকাংশ পুরুষ প্রেমের সুযোগ আছে বলে ভাবতে শুরু করেন। খুব কম পুরুষই সুন্দরীদের পাশ কাটিয়ে চলতে পারেন। এই গবেষণায় এও বলা হয়েছে, শরীরে স্বল্পমাত্রায় কোট্রিসলের প্রবাহ ক্ষতিকর নয়। বরং তা মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। কিন্তু বেশি মাত্রায় কোট্রিসলের প্রবাহ হৃদযন্ত্রের ক্ষতি থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস এমনকি পুরুষকে নপুংসক পর্যন্ত করে ফেলতে পারে। তাই, সম্ভব হলে সুন্দরীদের এড়িয়ে চলাই সমীচীন!

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *