এনএসআই সদস্যের কাণ্ড

000000প্রথম সকাল ডেস্ক: চাঁদা না পেয়ে মটরসাইকেল ব্যবসায়ী ও চেম্বার অব কমার্সের নির্বাহী সদস্য আবু সাঈদ শামীমকে ক্ষুর দিয়ে গুরুতর আহত করেছেন এনএসআই এর সহকারী পরিচালক মো. আক্রাম। এসময় শামীমকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশের এএসআই রবিউল ইসলাম, দফাদার মুকুল হোসেন, শামীমের স্ত্রী মিতু বেগমসহ আরো ৫ জন আহত হয়েছেন। পরে ওই এনএসআই কর্মকর্তাকে শেরপুর সদর থানার পুলিশ আটক করেছে। আহত ব্যবসায়ী ও তার স্ত্রী মিতু বেগম জানান, শনিবার দুপুরে শহরের গৌরীপুরস্থ বাসায় গিয়ে এনএসআই এর সহকারী পরিচালক মো. আক্রাম হোসেন ঈদ উপলক্ষে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্তু টাকা দিতে অস্বীকার করায় ওই এনএসআই কর্মকর্তা শামীমকে ক্ষুর দিয়ে আঘাত করে। এসময় শামীমের স্ত্রী মিতু বেগম বাঁধা দিলে তাকেও আহত করে। এদিকে ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের এএসআই রবিউল ইসলাম ও তার সঙ্গে থাকা দফাদার মুকুল হোসেন বিবাদ থামাতে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও চড়াও হয় ওই এনএসআই কর্মকর্তা। এক পর্যায়ে আশপোশের লোকজন এসে এনএসআই এর ওই কর্মকর্তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। আহতদের মধ্যে ব্যবসায়ী শামীম গুরুতর আহত অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অন্যরা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এদিকে অভিযুক্ত এনএসআই কর্মকর্তা আক্রাম হোসেন জানায়, চাঁদাবাজির অভিযোগ সত্য নয়। শামীমের বাড়ীর সামনে একটি ভ্যান গাড়ী পার্কিং নিয়ে কথাকাটাকাটি’র জের ধরে শামীম ও তার স্ত্রী আমার উপর হামলা চালায় এবং স্থানীয় লোকজনদের ঢেকে এনে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। আহত শামীমের বড় ভাই ও ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এসএম ওয়ারেছ নাঈম জানান, আমার ভাইকে যেভাবে ক্ষুর দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তাতে সে সংকটাপন্ন রয়েছে। আমরা এনএসআই এর ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ ব্যপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহিবুল ইসলাম খান জানান, এনএসআই কর্মকর্তাকে আমরা আপাতত আটক করে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে এজাহার দাখিল করা হলে আইনগত দিক পর্যালোচনা করে মামলা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যপারে এনএসআই এর উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের খান জানান, বিষয়টি যাচাই বাছাই করে দেখছি আসলে কি ঘটনা ঘটেছিল। তবে আমার কর্মকর্তা কোনো অপরাধ করে থাকলে তার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *