কমনওয়েলথ গেমসের ২০তম আসরের পর্দা উঠছে বুধবার

প্রথম সকাল ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসের ২০তম আসরের পর্দা উঠছে বুধবার। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে এবার বসেছে কমওয়েলথ গেমসের এই আসর। গ্লাসগোর সেল্টিক পার্কে বৃটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সবচেয়ে বড় এই গেমসটির উদ্বোধন করবেন। এবার এই গেমসে অংশ নিতে যাচ্ছে ৭১ দেশের ৪৫০০ ক্রীড়াবিদ। তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ১৮টি ইভেন্টে। ১১ দিনব্যাপী (২৩ জুলাই-৩ আগস্ট) এই আসরে ২৬১টি পদকের ফয়সালা হবে। এর মধ্যেই আছে প্যারা-স্পোর্টসের পাঁচটি ইভেন্টের ২২টি স্বর্ণপদকও। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও অংশ নিতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ গেমসে। এই আসরের ১০টি ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের ৩০জন ক্রীড়াবিদ অংশ নিতে যাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে কোচ কর্মকর্তা রয়েছেন আরো ১১ জন। সব মিলিয়ে ৪১ জন যাচ্ছেন স্ক্যাটল্যান্ডে। এ ছাড়া প্রয়োজনের বাইরে সরকারি টাকায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন পাঠাচ্ছে আরো অনেককে। যা সরকারি টাকার অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। ১০টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিলেও পদক জয়ের আশা কেবল শ্যুটিং এ। এ ছাড়া জিমন্যাস্টিক, ভারোত্তোলন, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স, সাইক্লিং, কুস্তি, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিসে অংশ নিতে যাচ্ছে শুধু অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। তবে এটাই বাংলাদেশের প্রথম কনমওয়েলথ গেমসে অংশ নেয়া নয়। বাংলাদেশ প্রথম অংশ নেয় ১৯৭৮ সালে। দ্বিতীয়বার অংশ নেয় ১৯৯০ সালে। এরপর ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬ ও ২০১০ সালে অংশ নেয়। সাতবার অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পদক জয়ের সংখ্যা মাত্র ৫টি। তার মধ্যে স্বর্ণ ২টি। রৌপ্য ১টি ও ব্রোঞ্জ ২টি। সবকটিই এসেছে শ্যুটিং থেকে। ১৯৯০ সালে অকল্যান্ডে প্রথম স্বর্ণ জেতে বাংলাদেশ। আতিকুর রহমান ও আব্দুস সাত্তার নিনি শ্যুটিংয়ে স্বর্ণ ও রৌপ্য জয় করেন। এরপর ২০০২ সালে বিকেএসপির শ্যুটার আসিফ হোসেন খান ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ পদক জয় করে সবাইকে চমকে দেন। এরপর ২০০৬ রৌপ্য ও ২০১০ এ ব্রোঞ্জ পদক জেতে বাংলাদেশ। সেটাও ওই শ্যুটিংয়ে-ই। এবারও শ্যুটিং থেকেই পদক জয়ের আশা করছে বাংলাদেশ। এই আশা শেষ পর্যন্ত পূরণ হয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

This website uses cookies.