যেভাবে রোগীকে নিয়ে যাবেন ডাক্তারের কাছে

প্রথম সকাল ডেস্ক: আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের একটি বড় সমস্যা হলো তারা সহজে ডাক্তারের কাছে যেতে চায় না। বিশেষ করে একটু বয়ষ্করা ডাক্তারের কাছে একেবারেই যেতে চায় না। সমস্যা যখন অনেক বেশি হয়ে যায় তখন ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা ভাবে তারা। এর আগে ঘরোটা টোটকা চিকিৎসাতেই ভালো হওয়ার চেষ্টা করে বেশিরভাগ মানুষ। কিংবা অনেকেই আবার কবিরাজ, ঝারফুক, তাবিজ, পানি পড়ার মতো কুসংস্কারের আশ্রয়ও নিয়ে থাকে যা একেবারেই উচিত না। পরিবারের কাউকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে নিশ্চয়ই আপনাকেও হিমশিম খেতে হয়েছে? আপনি যদি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিন এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় সম্পর্কে। আমরা সাধারণত কেউ অসুস্থ হলে তাকে ডাক্তারের কাছে যেতে বলি তখনই যখন অসুস্থতাটা অনেক বেশি বেড়ে যায়। আপনি কমপক্ষে ৫/৬ বার বলার পরে আপনার প্রিয়জন হয়তো রাজি হয় ডাক্তারের কাছে যেতে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক সময় অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই একটু আগে থেকেই বলা শুরু করুন তাদেরকে। তাহলে সময়মত তারা ডাক্তারের কাছে যেতে রাজি হলেও হতে পারে। রোগীকে যদিও ভয় দেখানো উচিত না, কিন্তু এই ক্ষেত্রে কিছুটা ভয় দেখাতে হবে। ডাক্তারের কাছে যেতে রাজি না হলে তাকে বুঝিয়ে বলুন যে অসুস্থতা বেড়ে গেলে হয়তো পরবর্তিতে চিকিৎসা করিয়েও লাভ হবে না। তাই সময় থাকতেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। রোগীকে বলুন তার অসুস্থতা পরিবারের সবাইকে ভাবিয়ে তুলছে। রোগীকে এটাও বলুন যে পরিবারের সবার কথা একটিবারের জন্য ভেবে হলেও তাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। পরিবারের সবাই তাকে কতটা ভালোবাসে এবং তার জন্য দুশ্চিন্তা করে সেটা তাকে জানিয়ে দিন। সন্তান মানুষের জীবনের সবচাইতে দূর্বল একটি অংশ। আর তাই সন্তানের অজুহাত দিলে সাধারণত রোগীরা ডাক্তারের কাছে গিয়ে দ্রুত সুস্থ হওয়ার কথা ভাবে। তাই রোগীকে বলুন সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও তাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। অনেক সময় রোগী পরিবারের কথা আমলে না নিলেও বন্ধুদের কথার বেশ গুরুত্ব দেয়। তাই বন্ধুদের সহায়তা নিন। রোগীর বন্ধুদেরকে বলুন তাকে একটু বুঝিয়ে শুনিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে রাজি করাতে।

This website uses cookies.